মৃ’ত নারী (হাসপাতাল মর্গে) ধর্ষ’ণকারী মুন্না গ্রে’প্তার 

0
422
মৃত নারী (হাসপাতাল মর্গে) ধর্ষ'ণকারী মুন্না গ্রে'প্তার 
মৃত নারী (হাসপাতাল মর্গে) ধর্ষ'ণকারী মুন্না গ্রে'প্তার 

মৃ’ত নারী (হাসপাতাল মর্গে) ধর্ষ’ণকারী মুন্না গ্রে’প্তার

হাসপাতা’ল মর্গে মৃত নারী ধর্ষণকারী’ মুন্না ভগতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সি’আইডি। বিশ বছর বয়’সী মুন্না তার মামার স’ঙ্গে সহযোগী হিসেবে মর্গে কা’জ করত। তার বিরুদ্ধে মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণের অভি’যোগ রয়েছে।

সিআইডি কর্মকর্তারা জা’নান, বিভিন্ন স্থান থেকে যেসব লাশ ময়নাতদন্তের জ’ন্য মর্গে নেওয়া হতো, সেসব লাশের মধ্য ‘থেকে মৃত নারীদের ধর্ষণ করতেন মুন্না।

সিআইডির ‘অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক সৈয়দ রেজাউ’ল হায়দার বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই ন্যাক্কারজনক। আজ’ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’

সিআইডি ও সংশ্’লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া মুন্না ভগত ‘সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম জতন কুমার লালের’ সহযোগী হিসেবে কাজ করত। দুই-তিন বছর ধরে তিনি মর্গে থাকা ‘মৃত নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল। সম্প্রতি এরকম এ’কটি অভিযোগ পেয়ে মুন্নার বিষয়ে অনুসন্ধা’ন শুরু করে সিআইডি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না মৃত নারীদের ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

সিআইডির এক ক’মকর্তা জানান, মৃত নারীদের ধর্ষণ করা পৃথিবী’র জঘন্যতম একটি কাজ। সুস্থ ও স্বাভাবিক কে’উ এমন জঘন্যতম কাজ করতে পারে না। গ্রেপ্তার ওই তরুণ মুন্না বিকৃত মানসিকতার। তা না হলে এমন’ কাজ তার করার কথা নয়।

সোহরাওয়ার্দী হাস’পাতালের মর্গে দায়িত্বরত ডোম ও মুন্নার মামা জতন কুমার লাল জানান, মুন্না গত দুই/তিন বছর ধরে তার সহযোগী হিসে’বে মর্গে কাজ করত। তার বাবার নাম দুলাল’ ভগত। গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাজারে। সে ‘আরও দুই/তিন জ’নের সঙ্গে মর্গের পাশে একটি ক’ক্ষেই রাতে থা’কত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here