টাংগাইল শাড়ী তৈরির ইতিহাস। আসল টাংগাইলশাড়ী

0
250
টাংগাইল শাড়ী তৈরির ইতিহাস। আসল টাংগাইলশাড়ী
টাংগাইল শাড়ী তৈরির ইতিহাস। আসল টাংগাইলশাড়ী

টাঙ্গাইলের কথা বলতে গেলেই প্রথমেই চলে আসে টাংগাইলশাড়ী কথা, কারণ টাঙ্গাইলের শাড়ি টাংগালের একটা ঐতিহ্য। আর শাড়ির  কথা বললেই নারীদের মনে চলে আসে টাঙ্গাইলের শাড়ির কথা। টাংগাইলশাড়ী

বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় টাঙ্গাইলের শাড়ি তৈরি হয় কিন্ত আপনি যদি আসল টাঙ্গাইলের শাড়ি কিনতে চান এজন্য আপনাকে টাঙ্গাইলে চলে আসতে হবে। এককথায় শাড়ির জগতে টাঙ্গাইলের শাড়ি টাই হচ্ছে বিশ্ব বিখ্যাত।
আজ আপনাদেরকে আমি টাঙ্গাইলের শাড়ির তৈরীর বেশ কিছু অজানা তথ্য দিব যেগুলো হয়তোবা আপনার আজও অজানা ছিল।
বর্তমানে টাঙ্গাইলের শাড়ি তৈরি করতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন হয় চিকন সুতার, আর এই সুতা গুলো বিভিন্ন মহাজনরা নারায়ণগঞ্জ থেকে নিয়ে আসে। । বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়  আরদ নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত আর সুতার পাইকারি কেন্দ্রস্থল নারায়ণগঞ্জ।like, and , but,  so, and, because
মহাজনরা নারায়ণগঞ্জ থেকে সুতা গুলো এনে থাকে, এরপর যদি আসি রঙের কথায়, রং করার জন্য যে কেমিক্যাল গুলো দরকার হয় সবগুলোই নারায়ণগঞ্জ পাওয়া যায়।  টাংগাইল শাড়ী
আমাদের মহাজনরা ওখান থেকেই এই মালামাল গুলো নিয়ে আসেন। তারপর এগুলো চলে যায় তাঁতিদের কাছে অর্থাৎ যারা কাপড় বোনে। তাঁতিরা এগুলো মহাজনদের কাছ থেকে কিনে নেয়। টাংগাইল শাড়ী
প্রথমে সুতা কিনে এগুলো কি প্রসেস করতে হয় প্রসেস করার পরে জুতাগুলো নিয়ে তাঁতিরা রং করতপ চলে যায়, রংয়ের চুলগুলো অনেক বড় সেখানে একসাথে এক বান্ডিল করে সুতা রং করা যায় এক বান্ডিল এর 10 পাউন্ড সুতা থাকে।
এই সুতা রং করতে কমপক্ষে দুজন লোক প্রয়োজন হয় সুতা গুলো রং করা শেষ হয়ে গেলে এগুলো চলে যায় পাটিয়ালা হাতে অর্থাৎ এগুলোকে মারি করণ করতে হয়।
মারের কারণেই টাঙ্গাইল শাড়ি গুলো অনেক মজবুত শক্ত এবং মসৃণ হয় এবং এটা দীর্ঘদিন টিকে থাকে অর্থাৎ নষ্ট হয় ন।। অনেক ধোয়ার পরেও কাপড় গুলো যেন নতুনের মতই লাগে। মারের করনের জন্য মহিলারা মার দিয়ে সুতা গুলো রোদে সুকাতে দেয়,  রোদে শুকিয়ে গেলে এরপর মহিলারা এগুলোকে লাপাই করে অর্থাৎ ববিনে এগুলোকে লাকাই করে।like, and , but,  so, and, because
কাজ শেষ হয়ে গেলে এগুলো চলে যায ডাম মাস্টারেের  হাতে। সাড়ে তেরো হাত ডামে এই সুতা গুলো বিভিন্ন ডিজাইন অনুযায়ী পেছানো হয়। 
অর্থাৎ শাড়িটা কি ধরনের হবে কোথায় কোন রং থাকবে তার ওপর ভিত্তি করেই। সুতারং করা হয় এবং ববিন করা হয় আর সেই ববিন দিয়েই মাস্টার এগুলোকে নিখুঁতভাবে ডিজাইন করে থাকে। একচুয়ালি টাঙ্গাইল শাড়ি ডিজাইন এর জন্য বিখ্যাত ডামের  কাজ শেষ হয়ে গেলে এগুলোকে একটা ভিমের মধ্যে পেছানো হয।।like, and , but,  so, and, because
প্যাচানো হয়ে গেলে দুইজন লোক সানা বউ করে অর্থাৎ প্রত্যেকটা একটার ভিতর আনতে হয় যখন কাপড় বুনবে তখন যাতে একটি সুতা আরেকটি সুতার সাথে না লেগে যায়।
এ কাজটি শেষ হয়ে গেলে পুরো ভিম চলে যায় তাঁতে। তাঁতে যাওয়ার পর একজন মাস্টার তাতে কিছু কাজ করতে হয় সেটাকে বলে তেনা জোড়া। তেনা জুরার কাজটা শেষ হয়ে গেলে একজন তাঁতী কাপড় বোনা শুরু করে
টাংগাইল শাড়ী তৈরির ইতিহাস। আসল টাংগাইলশাড়ী
টাংগাইল শাড়ী তৈরির ইতিহাস। আসল টাংগাইলশাড়ী like, and , but,  so, and, because
বিভিন্ন মজুরির কাপড় তাঁতিরা বুনে থাকে যেমন প্লেন কাপড়ের মজুরি থাকে ৭০ থেকে ৮০ টাকা  একদিনে দুই থেকে তিনটা কাপড় বুনতে পারে। টাংগাইল শাড়ী
তারপর আছে বুটি কাপড় যেটা সবচেয়ে বেশি চাহিদা এটি কাপড় গুলো বুটির উপর ভিত্তি করে মজুরি করা হয়। যদি বুটির পরিমাণ অল্প থাকে তাহলে মজুরি কম হয় আর যদি বুটির পরিমাণ বেশি থাকে অর্থাৎ নকশার পরিমাণ বেশি থাকে তাহলে মজুরি টা বেশি হয়।
সাধারণত ছোট যেগুলো আছে সেগুলোর মজুরি হয় ১০০ থেকে ১২০ টাকা পরিমা।। যদি  বুটি বেশি হয় অনেক বেশি থাকে তাহলে তার মজুরী দাঁড়ায় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এরপর যদি বালুচুরি কাপড় হয় তাহলে তার মজুরী ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা।
আর যদি জামদানি হয় সমস্ত বডি চেকআপ তাহলে তার মজুরি দাঁড়ায় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। আসলে এভাবেই কাপড়ের দাম নির্ধারণ করা হয়। যেভাবে মজুরি সেভাবে দামটা নির্ধারণ করা হয়।  সততা এবং উচ্চতা সবকিছু মিলিয়ে একটা দাম ধরা হয় তাাঁতি দের লাভ খুব বেশি না হলেও এ কাজটি যুগ যুগ ধরে তাড়া করে আসছে।like,  and , but,  so, and, because
বর্তমানে যান্ত্রিক শক্তির কাছে হাতে বোনা কাপড়ের চাহিদা অনেকটাই কমে যাচ্ছে, কারণ বর্তমানে উন্নত প্রযুক্তির পাওয়ার লুম বিভিন্ন জায়গায় চলে এসেছে তাহলে কাপড় বোনার মজুরি খুবই কম হওয়ায় ওই কাপড় গুলো অল্প দামে বিক্রি করতে পারে।and আর যেখানে টাঙ্গাইল শাড়ি তৈরি করতে হাতে কাপড় বোনে তারা কিন্তু কমদামে দিতে পারেনা। like, and , but,  so, and, because
কারণ তাদের লস হবে। তবে একটি কথা মানতেই হবে হাতে বোনা কাপড় এর কোন তুলনাই হয়না এজন্য নিখুঁত। হাতে বোনা টাঙ্গাইলের শাড়ি হচ্ছে সবার সেরা। আসলে আমাদের সবাইকে এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হবে সরকারি অনুদান পেলে এই শিল্পটা আরো অনেক দূর এগিয়ে যেত।
যদিও বর্তমান সরকার এ ব্যাপারে অনেক উদ্যোগ নিয়েছেন এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন তাতীদেরকে ঋণ দিচ্ছেন। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই আসলে আমাদের সবারই এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য হচ্ছে টাঙ্গাইলের শাড়ি
টাঙ্গাইলের শাড়ি গুলো তাঁতিরা তৈরি করে বিক্রি করে টাঙ্গাইলে অবস্থিত করুটিয়া হাটে এটাই হচ্ছে টাঙ্গাইলের শাড়ির সবচেয়ে বড় বাজার।  এখানেই টাংগালের সমস্ত তাঁতিরা তাদের কাপড় নিয়ে বিক্রি করে আর এই টাংগালের শাড়ি নেওয়ার জন্য সারা বাংলাদেশ থেকে মহাজনরা চলে আসে।like, and , but,  so, and, because
করুটিয়া শুরু হয় বুধবারে, আপনি যদি টাঙ্গাইলের শাড়ি পাইকারি দরে কিনতে চান তাহলে অবশ্যই টাঙ্গাইলের করটিয়া চলে আসুন খুবই অল্প দামে আসল টাঙ্গাইল শাড়ি পেয়ে যাবেন।
বন্ধুরা এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। টাংগাইল শাড়ী
like, and , but,  so, and, because

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here