দুবাই এর কিছুতথ্য যা আপনে জানেননা।

0
150
দুবাই এর কিছুতথ্য যা আপনে জানেননা
দুবাই এর কিছুতথ্য যা আপনে জানেননা

দুবাই সম্পর্কে আজ আপনাদেরকে কিছু বলবো সত্যিকার অর্থে দুবাই স্বপ্ননগরী। দুবাই এর নাম শুনলেই মনে হয় বড় বড় দালান কোঠা। এক বিশাল শহর এক কথায় বলতে গেলে স্বপ্নের একটা রাজ্য। আজ আমরা দুবাই সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরবো যে তথ্যগুলো আপনারা জানলে সত্যিই অবাক হয়ে যাবেন, তো চলুন শুরু করা যাক।

দুবাই সত্যি স্বপ্ননগরী বিশ্বের সেরা পাঁচটি পর্যটন নগরীর এটা। একটি অনেক বড় বিল্ডিং আর নামি দামি গাড়ি এবং বাড়ি এবং তাদের বিলাসবহুল জীবন জাপানের জন্য সারা বিশ্বের পরিচিত লাভ করেছে। এই দুবাই টাকা পয়সা এমন কিছু অদ্ভুত জায়গায় খরচ করে থাকে যেটা জানলে আপনি চমকে উঠবে।so। এমন একটি অদ্ভুত শহর আপনার মনে হবে যে আপনি পৃথিবীর বাইরের কোন জগতে আছেন। দুবাইয়ের মানুষের চালচলন আচার-আচরণ এবং কি লাইফস্টাইল বিশ্বের যেকোন দেশের মানুষের থেকে অনেকটাই আলাদা করে রেখেছে। এমন কিছু অজানা তথ্য আছে যেগুলো জানলে আপনি সত্যি হতভম্ব হয়ে যাবেন। আপনার বিশ্বাস করতে হবে যে আদৌ কি সত্যি কিনা অজানা তথ্যগুলো এখন জানা যাক।

 

বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষই মনে করে দুবাই এটি একটি রাস্ট্।   কিন্তু বন্ধুরা আসলে দুবাই কোন দেশ নয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিযুক্ত একটি শহর মাত্জ।। জনসম্মুখে  কাউকে চুমু খেতে পারবেন না কারণ এটি দুবাইয়ের একটি বড় অপরাধ। এর শাস্তি হিসেবে আপনাকে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হতে পারে। যেকোনো জায়গায় আপনার ছোট অশালীন কাপড় পড়ে বের হওয়ার সম্পূর্ণ নিষেধ। বন্ধুরা এই মদ খাওয়া তাদের জন্য বহাল থাকবে শুধুমাত্র অমুসলিমদের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু সেটা আপনাকে অবশ্যই লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোন হোটেলে খেতে হবে। আর কেউ যদি সেটা বাসায় নিয়ে যেতে চায় তাহলে অবশ্যই তার নিজেরও একটা লাইসেন্স থাকতে হবে। মাথায় কোন গণ্ডগোল না করলেও চলবে আর যদি কোনো গন্ডগোল করেন তাহলে কিন্তু বড় বিপদে পড়তে হবে।
আপনি সাধারণত বাড়িতে বিড়াল বা কুকুর পোষা প্রাণী হিসেবে লালন-পালন করতে। soএ কথাটি শুনে থাকতে পারেন। এবং এটা অনেক বেশি দেখা যায় যে তাদের সাথে সময় কাটাতে এবং বাড়িতে পোষা বিড়াল কুকুর বিভিন্ন ধরনের প্রজাতির প্রাণী পালন করা হয়। কিন্তু ধর মানুষ একটু বিপদ নেই খেতে ভালোবাসে পশু হিসাবে সিংহ এবং বসে থাকে। মাঝে মাঝে বাইরে বের হলে তাদের সাথে becauseবা কিংবা সিংহ নিয়ে ঘুরতে যাওয়া দেখা যায়। ধানের পরিবারের সন্তান তাই এ কাজটি করে থাকে।and,  but,  so,  because
বন্ধুরা আমরা যারা বিভিন্ন দেশে আছি তারা টাকা তোলার জন্য এটিএম বুথ ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু বন্ধুরা এটিএম থেকে সোনা বের হয় সেটা আপনার একমাত্র দুবাই  গেলে দেখতে পারবেন। একটু জার্মান সংস্থা প্রথম এটিএম মেশিন তৈরি করে থাকেন যা থেকে শুধু সোনা বের হয়,, কোন টাকা নয় ।but একটি শপিং মলে প্রথম স্থাপন করা হয় এখান থেকে সোনার বিস্কুট, করেন, এমনকি গহনা বের হতে দেখা যায়।। নতুন সোনার জিনিস এটিএম থেকে বের হয় আমাদের দেশের সাধারণ মেয়েরাই কে দুনিয়া ভুল হয়ে থাকে তারা কমেন্টে সোনা ব্যবহার করে থাকে।
হাজার ১৯৯০ সালের দুবাই কেবলমাত্র একটি আকাশচুম্বী বিল্ডিং ছিল যার নাম ছিল ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার। কিন্তু বন্ধুরা এখন সেখানে 156 একটি বড় বিল্ডিং রয়েছে। এবং প্রায় 981টি বড়  দুবাই থেকে উচু বিল্ডিং এর একটি শহর যা পৃথিবীর আর কোন দেশে এত উঁচু ভবন একসাথে দেখা যায় না।so আর এখানকার ভবনগুলো সত্যিই অসাধারণ নির্মিত। যেটা দেখলে চোখ ধাঁধিয়ে যায।। সবচেয়ে বড় বিল্ডিং বোজ খলিফা। বর্তমানে মানুষের সবচেয়ে উঁচু আর এফ এল ভবন থেকে প্রায় তিন গুণ বড়। 1717 এবং এর মধ্যে রয়েছে বিল্ডিংটির 90 কিলোমিটার দূর থেকে দেখা যায।। এবং তারা বসবাস করেন তারা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয় দেখতে পান। করেন রমজানের সময় তাদেরকে অপেক্ষা করতে হয় 150 বাস করেন তাদেরকে আরো খানিকটা বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়।
বন্ধুরা আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে দুবাই পাম আইলেন মানুষের তৈরি কৃত্রিম দ্বীপ। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের জন্এ।। and বং পর্যাপ্ত করার জন্যই এটি নির্মাণ করা হয়েছে।but সাগরের বুকে তৈরি করা হয়েছে কিন্তু এ ধরনের সমুদ্র নিয়ে এমনভাবে সাজানো হয়েছে উপর থেকে দেখতাম গাছের মতোই লাগে।
এখানে রয়েছে সারি সারি বিলাসবহুল অনেক হোটেল। এখানে রয়েছে নিজস্ব আপারমেন্ট।so সিম্পল টেম্পার রেস্তোরাঁ, শপিংমল, হাসপাতাল, এবং বিশেষ সুবিধা রয়েছে বন্ধুরা বিভিন্ন দেশের বিভিন্নস্থানে অবসর পেলেই বেড়াতে আসে এখানে হলিউডের বিভিন্ন তারকার। অবশ্যই বেড়াতে আসে আপনি এখানে আসলে যে কোন প্রকার সাথে দেখা হয়ে যেতে পার।because। একটি কথা না বললে আপনি অবাক না হয়ে পারবেন না অন্য কিছু ছিল না। 1960 সালে প্রথম খোঁজ পাওয়া যায় আর তারপর থেকে ওখানে উন্নয়নের জোয়ার শুরু হয।। যেভাবে প্রতিদিন যে পরিমাণ উৎপাদন হয় তাদের উৎপাদন হয় 50 থেকে 70 হাজার থেকে প্রতিদিন উৎপাদন হয় ডাক্তার হাজার কিলোমিটারের সমান।and,  but,  so,  because
দুবাই কে অনেকেই স্বর্ণের শহর বলে থাকেন। andদুবাই অনেক সোনার দোকান পাবেন প্রায় 300 ট।। সোনার দোকান রয়েছে যেগুলোতে তারা সব সময় 10 টার উপরে সোনা থাকে সঠিক দামে উন্নত।but মানের স্বর্ণ কিনতে চাইলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ক্রেতারা এখানে চলে আসে। বলা হয়ে থাকে এইসব শপিংমলের জমাকৃত স্বর্ণের পরিমাণ বেশি হবে 2013 সালে এখানে এত সহজে 396 ছিল।
বন্ধুরা এবার পুলিশ সম্পর্কে বিশ্বের অন্যান্য পুলিশের থেকে অনেক ভিন্নতা বিপরীত শব্দ। ব্যবহার করে থাকে এর মধ্যে অন্যতম soশুধু তাই নয় andতাদেরকে দেওয়া হয়েছে যা রাস্তায় চলে যাবে সমান তালে চলে 2000 এগুলোর জন্য আমার প্রয়োজন নেই। রাস্তা থেকে পানিতে ভাসমান এবং চলমান করে ফেলে।
সোনা শুধু আমাদের দেশে নয় পৃথিবীর সব দেশের মানুষ পছন্দ করে। বিশেষ করে মহিলারা স্বর্ণের জিনিস গায়ে পড়তে বেশি পছন্দ। করে থাকে কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে আর সবার থেকে ব্যতিক্রম পড়াশোনা পরিধান করার থেকে চালাতে বেশি। becauseপছন্দ করেso থাকে বন্ধুরা এখানে ধারণা দিয়ে বানানো হয় আপনার চোখে চোখে পড়বে andগোল্ডেন কার। একটি স্বাভাবিক ব্যাপার আপনার জানলে অবাক হয়ে যাবেন একটি গাড়ির কবরস্থান রয়েছে। কবরস্থান সবার কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে বিএমডব্লিউ। সহ বিভিন্ন মডেলের গাড়ি দেখা যায় এখানে পাবেন। সেগুলো ভুলে থাকতে দেখতে পাবেন বন্ধুরা দুবাই সম্পর্কে আমরা আপনাদের অনেক কিছু জানানোর চেষ্টা।and,  but,  so,  because
বন্ধুরা দুবাই সম্পর্কে আরেকটি তথ্য না বললেই নয় পৃথিবীর বিভিন্ন গরীব রাষ্ট্র থেকে দুবাইয়ের প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ শ্রমিক সেখানে যায়। soএবং তারা বিভিন্ন butজায়গায় কাজ করে এটা যেমন বিভিন্ন রাষ্ট্রের মানুষগুলো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা অনেক বড় একটা ভূমিকা পালন করে। থাকে দুবাইয়ের মানুষগুলো সাধারণত শান্ত প্রিয় হয়ে থাকে। আপনি যদি দুবাই কখনো জান তাহলে সেখানে আপনার সারি সারি খেজুর গাছ চোখে পড়বে। যেগুলো সত্যি চোখধাঁধানো মত দুবাইয়ের সবচেয়ে বড় বিল্ডিংটার নামand দজ খলিফা।
এতটাই সুন্দর মনমুগ্ধকর butযে আপনাকে আকৃষ্ট করে ছাড়বে এই ভবনটির মধ্যে রয়েছে বিশ্বের নামিদামি সব দেশের কর্পোরেট soঅফিস রয়েছে শপিংমল।and রয়েছে মসজিদ খেলার পার্কসহ কিনা এখানে এক কথায় আপনি যা চাইবেন তাই পাবেন এই হিমা রতে তবে এই বিল্ডিং এর একদম উপরের দিকে উঠতে চাইলে আপনাকে অক্সিজেন নিয়ে উঠতে হবে কারণ বিল্ডিংটি এতটাই উচ্চতায় অবস্থিত যে। বিল্ডিংয়ের ওপরে তলাগুলোতে উঠতে। অক্সিজেনের অভাব অনুভব করবেন আর সেজন্য আপনাকে অক্সিজেন নিয়ে এ বিল্ডিং থেকে উঠতে হবে। কারণ বিল্ডিং t160 তালা।
বন্ধুরা দুবাই সম্পর্কে আমরা আপনাদেরকে ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনারা দুবাই সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পারলেন দুবাই সম্পর্কে যদি আপনার আরোbecause কোন প্রশ্ন থাকে।and তাহলে অবশ্যই সেটা আমাদের করতে পারেন। কমেন্ট করে আপনাদের কমেন্ট আমরা অনেক মূল্যায়নের সাথে দেখে থাকি। তাই কমেন্ট করার জন্য অনুরোধ করলাম।and,  but,  so,  because
আশা করি আজকের butএই পোস্টটি আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনাদের কাছে একটা রিকোয়েস্ট থাকবে। andএই পোষ্টটি অবশ্যই becauseফেসবুকে শেয়ার করে দিবেন। যাতে আরো মানুষ এটা পড়তে পারে এতক্ষন আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। অভিনন্দন আজ এখানেই রাখছি soসবাই ভাল থাকবেন সুন্দর থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই শুভ কামনায় আল্লাহ হাফেজ।
and,  but,  so,  because

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here