জাপান যেসব কারনে সারা দুনিয়ায় থেকেআলাদ।

0
100
জাপান যেসব কারনে সারা দুনিয়ায় থেকেআলাদ।
জাপান যেসব কারনে সারা দুনিয়ায় থেকেআলাদ।
বন্ধুরা সূর্য উদয়ের দেশ জাপান সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করব। যে তথ্যগুলো সত্যিই অবাক করার মত ছোট্ট একটি দেশ, জাপান কিভাবে সারা পৃথিবীর মধ্যে নিজেদেরকে সবার উপরে স্থান করে নিয়েছে, কিভাবে তারা আজ সারা বিশ্বের কাছে সম্মান পেয়েছে। আমরা এখানে দেখাবো কিভাবে তারা সারা বিশ্বের থেকে প্রযুক্তিতে এগিয়ে আছেন। জাপানি মানুষ খুবই পরিশ্রমি পরিশ্রমী মানুষদের নিয়ে আমরা আলোচনা করব  আশাকরি জাপান সম্পর্কে আপনাদেরকে সন্ধ্যার কিছু তথ্য দিব যে তথ্যগুলো জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবে।। তো বন্ধুরা বেশি কথা বলবো না চলেন আমরা সূর্যোদয়ের দেশ জাপান সম্পর্কে জেনে নেই।
প্রশান্ত মহাসাগরের একদম পূর্বকনে 6803 নিয়ে গড়ে ওঠার ছোট্ট একটি দেশ জাপান। কিন্তু  দেশটি তাদের কঠোর পরিশ্রমের জন্য কাজ পৃথিবীর বিশ্ব বিখ্যাত হয়েছেন। আর তারা জায়গা করে নিয়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রযুক্তির রয়েছে তার মধ্যে জাপান সবার থেকে এগিয়ে। রয়েছে জাপানের যেকোনো পণ্য মানেই বেশি কোয়ালিটিফুল। আমরা চোখ বন্ধ করেই জাপানি পণ্য কিন্তু পছন্দ করি। জাপানি প্রযুক্তিতে এগিয়ে তা নয় শিল্প-সাহিত্য অন্যান্য দেশের থেকে অনেক বেশি এগিয়ে আছে। বন্ধুরা জাপান সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে আমাদের সাথেই থাকুন আর সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়তে থাকুন।
জাপান পূর্ব এশিয়ায় প্রশান্ত মহাসাগরের অবস্থিত একটি দেশ। এক সময় মনে করা হতো সকালের সূর্য উঠা জাপানের মানুষের সবার আগে দেখতে পায়, সেজন্য জাপানকে ল্যান্ড অফ দ্যা ম্যাচ নামে ডাকা হয়। পৃথিবীর যত সব বিখ্যাত গাড়ির কোম্পানিগুলো আছে যেমন প্যানাসনিক, হোন্ডা, ইত্যাদি তৈরি করা। জাপানের ইলেকট্রিক প্রযুক্তির মধ্যে প্রচুর সোনা এবং রুপা ব্যবহার করা হয়। জাপানের ব্যবহার করা বেশিরভাগ ফোনে ওয়াটারপ্রুফ। জাপানের ট্রেন গুলো বিখ্যাত, জাপানের ট্রেন গুলো পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগতির ট্রেন। জাপানের মানুষের অনেক রেক্টিফি থাকে। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি অ্যানিমেশন ডিজাইন জাপানে তৈরি করা হয়।
এবার জাপান সম্পর্কে কিছু চমকপ্রদ তথ্য জাপানের যেসব শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করে ,তারা শিক্ষকদের সাথে তাদের শ্রেণিকক্ষ শহর সবকিছুই নিজেরাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে থাকে। তাদেরকে একটি পরিচ্ছন্ন জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে জাপানের শিক্ষা। জীবনের প্রথম 6 বছর শেখানো হয় কিভাবে মানুষ এর সাথে চলতে হবে সেটাই বিশেষভাবে শেখানো হয়ে। থাকে জাপানের কোন প্রাকৃতিক সম্পদ নেই প্রতিবছরই জাপানে ভূমিকম্প হয়ে থাকে। তারপরও তারা বিশ্বের তৃতীয় অর্থনৈতিক অবস্থানে রয়েছেন।
জাপানের হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা মাত্র 10 বছর আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনে জাপানিজরা। জাপানিরা রাস্তায় ময়লা ফেলে না, ধূমপায়ী ছাতা নিয়ে ঘুরে জাপানের রাস্তায় সিগারেটের ছাই পর্যন্ত ফেলা নিষেধ।। বিশ্বের একটি ধনী দেশ হয়েও জাপানিরা তাদের জন্য কোন কাজের মানুষ রাখে না তারা নিজেরাই করে থাকে। সকল কাজ জাপানের শিক্ষা জীবনের প্রথম তিন বছর কোন পরীক্ষা হয় না। কারণ তারা মনে করে লেখাপড়া চরিত্র গঠনের জন্য পরীক্ষা নেওয়ার জন্য নয়। জাপানিরা খাবার অপচয় করে না, রেস্টুরেন্টে গেলে দেখবেন যার যতটুকু দরকার এর বেশি কখনই নয় না।and,  but,  so,  because
জাপানি তেল ভরা হয়ে সবচেয়ে কর্মঠ জাতি জাপানের ট্রেন দেরি করে। আসার সময় বছরে মাত্র ৭ সেকেন্ড জাপানের মানুষ তারা প্রতিটা সেকেন্ড হিসাব করে চলে দীর্ঘজীবী অবস্থায় জাপান আছে দ্বিতীয়। জাপানে প্রায় 83 বছর বাঁচে এটা সত্যি অনেক বড় পাওয়া জাপানিদের জন্য। জাপানের স্টুডেন্ট দের খাবার পর আধ ঘণ্টা বিরতি দেওয়া হয়। খাবার হজম করার জন্যস ময়টা এজন্যই তারা মনে করে ছাত্র-ছাত্রীরা এই জাতির ভবিষ্যৎ। বন্ধুরা যারা কিন্তু সবচেয়ে বেশি আত্মসম্মানবোধ হয়ে থাকে সম্মানের জন্য তারা নিজেদের সবকিছু বিলিয়ে দিতে পারে। এরকম উদাহরণ এই দেশটিতে আছে ভুরি ভুরি। জাপানের বেশ কয়েকটি প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তারা নিজেরাই স্বেচ্ছায় পদত্যাগ, করেছেন কথা দিয়ে কথা রাখার ব্যাপারে তারা সত্যিই অনেক বেশি কঠিন।and,  but,  so,  because
টাইটানিক জাহাজ ডোবার পর যে কয়েকজন জাপানিজ বেঁচে ফিরে আসতে পেরেছিলেন, দেশে ফিরে তাদের প্রবল জনরোষের মুখে পড়তে হয়। সহযাত্রীদের পাশে যদি বাঁচাতে নয় পারতে তবে তাদের সাথে প্রাণ কেন দিলে ন।। এই ছিল তার আক্ষেপ নির্ধারিত কাজের পরে কিছু কাজ করার নাম ওভারটাইম। এটা দুনিয়াজুড়েই প্রচলিত রয়েছে কিন্তু বন্ধুরা জাপানে ওভারটাইম শব্দটির অর্থ নেই। জাপানের সময় শেষ হওয়ার পরেও দীর্ঘ সময় তারা কাজ নিয়েই পড়ে থাকে। তারা তাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা রাজ্যে পর্যন্ত বের না হয় তারা তারার কথা ভাবতেও পারো না।। ততক্ষণ পর্যন্ত যত কাজই থাকুক না কেন। বন্ধুরা সাধারণত অফিসে ঘুমানো আমাদের দেশে খুবই খারাপ চোখে দেখা হয়। কিন্তু জাপানে এই বিষয়টা সম্পূর্ণ ভিন্ন।
জাপানের যদি কেউ অফিসে ঘুমিয়ে থাকে তাহলে ভাবা হয় যে ঘুমন্ত ব্যক্তির কাজের প্রচুর চাপ ছিল তাই সে ঘুমিয়েছে। এজন্য কেউ তাকে ডিস্টার্ব করে না। বরং এটি যদি দেখে তাহলে তার বস মনে করে অনেক বেশি কাজ করেছে তাই ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়েছে। এতে বসের কাছে তার ভাবমূর্তি আরো ভালো হয়। অনেক সময় একই সাথে কাজ করতে করতে মানুষের ঘুমানোর প্রবণতা চলে আসে এসব সমস্যা মোকাবেলার জন্য ক্যাপসুল তৈরি করেন। যেখানে শুধু একটি বিছানা সমপরিমাণ জায়গা রয়েছে। আর এখানে একজন মানুষ অনায়াসে খুব সুন্দরভাবে বিশ্রাম নিতে পারে আর বিশ্রাম নেওয়ার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা এখানে থাকে।
বন্ধুরা জাপান অনেক বেশি উন্নত দেশ হয়তো ভাবতে পারেন তাদের জমি উর্বর যেখানে প্রচুর ফসল ফলে। কিন্তু বন্ধুরা এটা তা নয় জাপানের শতকরা 70 ভাগ ভূমি হচ্ছে পাহাড়ি। তাছাড়াও জাপান দেশটিতে 208 নিয়েছে জাপানের মধ্যে কোনটি বেশি প্রচলিত সন্তান লালন পালন করা। সব দেশেই রয়েছে 98 থেকে 30 বছর অর্থাৎ গ্রহণ করে। পরিবার কিন্তু ছেলে নেই তখন তারা আমাকে রাখতে অক্ষম হয়। তাহলে অন্য ছেলে নিয়ে আসে জাপানের অন্যান্য দেশের তুলনায় খুবই ভালো করতে পারে না এজন্য। তাকে মোটা অংকের টাকা গুনতে হয় জাপানের সাক্ষরতার হার শতকরা 100 ভাগ। অর্থাৎ জাপানে সবাই শিক্ষিত লিখতে পারে তাদের পত্রিকায় রাজনৈতিক বিভিন্ন সংবাদ ছাপানো হয় না। শুধু নিজেদের প্রয়োজনীয় এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি সম্পর্কে পত্রিকাগুলোতে হয়।and,  but,  so,  because
জাপান দেশটি পৃথিবীর সব মানুষের কাছে খুবই পরিচিত,, এবং চেনা জাপানের পণ্য আমরা সবাই নির্দ্বিধায় ব্যবহার করে থাকি কারণ জাপানের। পণ্যগুলো হয়ে থাকে বেশি টিপসই এবং নির্দ্বিধায় সেগুলো বেশি দিন চলে তাই আমরা সবাই। জাপানের পণ্য গুলো ব্যবহার করে থাকে জাপান জাপানের টিভি, ফ্রিজ, এয়ারকন্ডিশন, জাপানি গাড়ি, এইগুলো সারা পৃথিবীতেই সবচেয়ে বেশি চাহিদা। কারণ জাপানিরা যে প্রযুক্তিতে এইসব জিনিস তৈরি করে সেগুলো সত্যি অসাধারণ, এবং টেকসই হয়ে থাকে আর এজন্যই জাপানের বিশ্ব বিখ্যাত। তাদের টেকনোলজি জ্ঞান বুদ্ধি বিবেক দিয়ে জাপানি পণ্য সারা দুনিয়ার মানুষের কাছে সবচেয়ে বেশি চাহিদা সম্পন্ন। এক কথায় বলতে গেলে জাপানি পণ্য যে কেউ পছন্দ করে আর সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে জাপানি পণ্য গুলো দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে।and,  but,  so,  because
সারা পৃথিবীতে যতগুলো গাড়ির কোম্পানি রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে নামিদামি ব্র্যান্ডের গাড়ি গুলো বানে থাকে জাপানিজরা। জাপা নেতাদের কোম্পানিগুলোতে যে গাড়িগুলো তৈরি করে সারা বিশ্বে তার সবচেয়ে বেশি কদর জাপানে গাড়িগুলো। পৃথিবীর সব দেশেই কমবেশি দেখা যায় জাপানের মানুষগুলো এবং নিজেরা কাজের মূল্যায়ন করে থাকে তারা। একটি সেকেন্ড কেউ সম্মান করে তারা সবসময় নিজেদের কাজ। নিজেরা করতে পছন্দ করে আর এজন্যই তারা আজ বিশ্বের কাছে মাথা উঁচু ক,রে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে জাপানের কাছ থেকে আমাদেরও এরকম শিক্ষা নেওয়া উচিতand,  but,  so,  because
বন্ধুরা জাপান সম্পর্কে আপনাদেরকে কিছু ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি জাপান ছোট্ট একটি। শান্তিপ্রিয় সুন্দর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন দেশের নাম যে দেশের সবাই কর্ম সবাই নিজেদের কাজ নিজেরাই করে থাকে। জাপান সম্পর্কে যদি আপনার কোন প্রশ্ন থাকে সেটা ইচ্ছা করলে কমেন্ট করতে পারেন। আর জাপানের কোন বিষয় সম্পর্কে আপনার বেশি জানতে ইচ্ছে সেটাও কমেন্ট করতে পারেন তাহলে আমরা পরবর্তীতে আপনার জানা বিষয় নিয়ে নতুন পোস্ট দেব।। সবশেষে আপনাদের কে বলবো অবশ্যই এই পোস্টটি শেয়ার করে দিবেন ফেসবুকে যাতে করে আরো মানুষ পুষ্টির দেখে পড়তে পারে জাপান সম্পর্কে খুব শিগ্রই আমরা আরেকটি নতুন পোস্ট দিতে যাচ্ছ।। সেখানে জাপানের আরো অনেক খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে তুলে ধরার চেষ্টা করব তাই আপনাদেরকে রিকোয়েস্ট করব। আমাদের সাথে থাকার জন্য আজ এখানেই রাখছি ধন্যবাদ সবাইকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here