বাইকার-ফারহানা যেসব কারনে নিজের বিয়ে ও সন্তানের কথা গোপন রেখেছিলেন #VIDEO

0
2523
যেসব কারনে নিজের বিয়ে ও সন্তানের কথা গোপন রেখেছিলেন-01
যেসব কারনে নিজের বিয়ে ও সন্তানের কথা গোপন রেখেছিলেন-01

#বাইকার_ফারহানা যেসব কারনে নিজের #বিয়ে ও #সন্তানের কথা #গোপন রেখেছিলেন #VIDEO

#গায়ে_হলুদের দিন শহরময় মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন ‘ভাইরাল’ ফারহানা আফরোজ। যার বিয়ে হয়েছিল আরও তিন বছর আগে। রয়েছে দেড়মাস বয়সী একটি ছেলে স’ন্তানও।
#বিয়ের_অনুষ্ঠান #জাঁকজমকপূর্ণ করতে না পারায় ছেলে জন্মের পর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আর সে অনুষ্ঠানকে ঘিরেই শখ পূরণ করেন লেডি বাইকার ফারহানা। তবে তার এ কাজকে ভালোভাবেই দেখছেন বন্ধু ও প্রতিবেশীরা।
তাদের দা’বি ফারহানা স্বাধী’নচেতা মানুষ। কিন্তু নেটিজেনরা তার ব্যক্তি স্বাধী’নতায় হস্তক্ষেপ করছেন। ফারহানার বান্ধবী নওরীন মোক্তাকি জয়া বলেন, যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে ফারহানার সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব। এরপর যশোর আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজেও এক সঙ্গে পড়েছি।
চরিত্র নিয়ে কুরু-চিপূর্ণ মন্তব্য, বিচার চাইলেন বাইকার 'নববধূ'
চরিত্র নিয়ে কুরু-চিপূর্ণ মন্তব্য, বিচার চাইলেন বাইকার ‘নববধূ’
উচ্চ শিক্ষা নেওয়ার জন্য দু’জন দুই শহরের বাসি’ন্দা হলেও যোগাযোগ এবং বন্ধুত্ব ছিল অটুট। ফারহানা খুব ভালো মনের মানুষ, মিশুক। সবার উপকার করে। যেহেতু ও (ফারহানা) মোটরসাইকেল চালাতে পারে, তাই শখ ছিল নিজের বিয়েতে বাইক রাইডিং করার।
ও শো-আপ চায়নি। নেটিজেনরা বা’নোয়াট কথা বলে ওকে নিয়ে বি’রূপ মন্তব্য করছেন। জয়া আরও বলেন, ফারহানার তো তিন বছর আগে বিয়ে হয়েছে। ও এখন এক বাচ্চার মা। গত ৩০ জুন ওর ছেলে সন্তান হয়েছে। ফারহানা ওর বিয়ের সময় অনুষ্ঠান করতে পারেনি।
আরও পডুন সমালোচকদের ধুয়ে দিলেন বাইকার নববধূ ! [ফারহানা আফরোজ]  ভিডিও সহ  #VIDEO
ধু’মধা’ম করে বিয়ের অনুষ্ঠান করার ইচ্ছা ছিল। তবে এতদিন পর সেই শখ পূরণ করতে বিয়ের অনুষ্ঠান করছে, তাতে অন্যদের স’মস্যাটা কী? জয়া বলেন, দেশের মানুষ রাইড শেয়ারে মেয়ে চালকদের সঙ্গে বসতে পারে। অথচ ফারহানকে রাইডিংকে সহ্য করতে পারছে না। এটা সং’কীর্ণতা।
ফারহানার বন্ধু প্রোফেশনাল ফটোগ্রাফার তরু খান বলেন, ফারহানা আমার কলেজ পর্যায়ের বন্ধু। সে সময় ও আমাদের সঙ্গে মোটরসাইকেল চালাতো। ও একজন ভালো বন্ধু, ওর সঙ্গে সবকিছু শেয়ার করা যায়। ফারহানার স্বাধী’নচেতা মেয়ে।
তার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে আমরা বন্ধুরা ১৫/২০টি মোটরসাইকেল নিয়ে শহর ঘুরেছি। এতে দো’ষ কোথায়? লোকজন নেগিটিভ মন্তব্য করছে, তাতে খা’রাপ লাগছে। আমাদের প্রত্যাশা, প্রত্যেকে বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেবে।
আরও পডুন চরিত্র নিয়ে কুরু-চিপূর্ণ মন্তব্য, বিচার চাইলেন বাইকার 'নববধূ'
ফারহানার প্রতিবেশী তমাল আহমেদ বলেন, ফারহানার মতো মেয়েই হয় না। ও খুব ভালো মেয়ে। তার বিয়ে হয়েছে অনেক আগে। পারিবারিকভাবে মেনে নেওয়া নিয়ে জ’টিলতা ছিল। বিয়ে মেনে নেওয়ার পর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নেটিজেনরা যা করছেন তা ঠিক না।
তমাল বলেন, যশোরে মেয়ে তানিয়া পাইলট হিসেবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করে। দেশের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেত্রী, স্পিকার নারী। নারীরা অনেক বিষয়ে এখন অগ্রগামী। ফারহানার ব্যাপারে এতো কনজারভেটিভ কেন বুঝি না। এটা ফারহানার ব্যক্তি স্বাধী’নতায় হস্তক্ষেপ করার শামিল।
তমাল আরও বলেন, ফারহানার পরিবারটি অনেক আগে থেকেই সং’স্কৃতি মনা ও প্রগতিশীল। বাংলাদেশের অভিনয় জগতের তিন নক্ষত্র সুচন্দা, ববিতা ও চম্পা। এরা সম্পর্কে ফারহানার চাচাতো ফুফু। ফলে সে স্বাধীনচেতা হিসেবে বড় হয়েছে।
আরও পডুন কমেন্ট দেখে ভাষাহীন হয়ে গেছেন বাইকার ফারহানা, মামলা করতে যাচ্ছেন আজই (ভিডিও)
এর আগে, ১৪ আগস্ট পাবনার কাশিনাথপুরের বাসি’ন্দা ও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার হাসনাইন রাফির সঙ্গে বিবাহ ব’ন্ধনে আব’দ্ধ হয়েছেন যশোর শহরের সার্কিট হাউজ এলাকার মেয়ে ফারহানা আফরোজ। এর আগের দিন ১৩ আগস্ট ছিল ফারহানার গায়ে হলুদ।
গায়ে হলুদের দিনে শহরজুড়ে বন্ধু-বান্ধব ও সাথীদের নিয়ে বাইক র‌্যালি (মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা) করেন কনে ফারহানা। ওই শোভাযাত্রার ছবি এ কাজে নিযু’ক্ত ফটোগ্রাফার তার অ’নুমতি নিয়েই ফেসবুকে দেন। এরপর ব্যতিক্রমী এ আয়োজনের ছবি ভাইরাল হয়।
ফারহানা আফরোজ বলেন, সবাই নেচে-গেয়ে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান উদযাপন করেছি। আমি যেহেতু মোটরসাইকেল চালাতে পারি, তাই চালিয়ে অনুষ্ঠান করেছি। ব্যতিক্রমী কিছু করার ভাবনা থেকেই এমন আয়োজন। এটি আমার নিজস্ব উদ্যোগে করেছি। অনেক আনন্দ করেছি বন্ধু-বান্ধব ও সাথীরা।
আরও পডুন ফারহানা : তিন বছর ধরে বাইক চালাই, বউ সেজে চালালে দোষ কিসের!  ভিডিওটি দেখুন
যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে ২০১১ সালে এসএসসি ও ২০১৩ সালে যশোর আব্দুর রাজ্জাক কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন ফারহানা। এখন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) থেকে এইচআর-এ এমবিএ করছেন ফারহানা।
তিনি আরও বলেন, ২০০৭ সাল থেকে বাইক চালাই। মূলত বাড়িতে সাইকেল ও প্রাইভেটকার চালানো শেখা হয় ছোট বেলাতেই। বাবার মোটরসাইকেলটিও চালানোর একটা ঝোঁ’ক ছিল। তাই বাবার অ’জান্তেই কোনো প্রশিক্ষক ছাড়াই মোটরসাইকেল চালানো শিখি।
২০১৩ সালে ঢাকায় আসার পর বন্ধুদের মোটরসাইকেলে হাত পাকাই। এরপর নিজে স্কুটি কিনি। ওই স্কুটিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত করি। ফারহানা আরও বলেন, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার ছবি ফেসবুকে আসার পর শ্বশুড়বাড়ির লোকজন তা স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছেন।
আরও পডুন সেই কনের প্রশ্ন - শুধু বাইক চালানো ছবি দেখে আমা'র চরিত্রের সনদ দিয়ে দিলেন?
তারা আমার মোটরসাইকেল চালানোর বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন। ফলে তারা ছবি ও ভিডিও দেখে বেশ আনন্দ করেছেন। কিন্তু নেটিজানরা বিষয়টিকে ভালোভাবে নিতে পারছেন না। তারা আমার চারিত্রিক সনদ দিচ্ছেন। এটা আমি মানতে পারছি না।
যে কারণে ছবি ভাইরাল হবার পর আমি নিজেই বাইক র‌্যালির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করি। তিনি আরও বলেন, সুযোগ পেলে আমি হেলিকপ্টার চালানোও শিখতাম। আমি সবকিছুই চালানো শিখতাম। স্বামীর পক্ষ থেকেও কোনো ধরনের আ’পত্তি নেই।
তবে তার স্বামী হাসনাইন রাফির সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে ফারহানা তাকে সংবাদমাধ্যমে না টানার জন্য অ’নুরোধ করেন। তার স্বামী বর্তমানে গাজীপুরে কর্মরত। ফারহানাও শিগগিরই ঢাকা যাবেন এবং শ্বশুরের প্রতিশ্রুত মোটরসাইকেলটি ঢাকা থেকেই কিনবেন।

বাইকার ফারহানা ‘নববধূ’ নয়, বিয়ে তিন বছর আগে, রয়েছে সন্তানও

আরও পডুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধ’র্ষ’ণ- মজনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ধর্”ষ’ণ মামলার অভিযোগ গঠনের ভার্চুয়াল শুনানি শুরু হয়েছে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোসাম্মৎ কামরুন্নাহারের আদালতে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ শুনানি শুরু হয়। গত ১৬ আগস্ট মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এ দিন ধার্য করেন আদালত।
মজনুকে একমাত্র আসামি করে গত ১৬ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আবু সিদ্দিক। ওই দিনই আদালত মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের আদেশ দেন।
গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যার পর সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে রওনা দেন ওই ছাত্রী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি রাজধানীর কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে বাস থেকে নামেন। এরপর একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তার মুখ চেপে ধরে সড়কের পেছনে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে ধর্ষণের পাশাপাশি তাকে নির্যাতনও করা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। ধর্ষণের একপর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
রাত ১০টার দিকে নিজেকে একটি নির্জন জায়গায় নিজেকে আবিষ্কার করেন ওই ছাত্রী। পরে সিএনজি নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আসেন। রাত ১২টার দিকে ওই ছাত্রীকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করান তার সহপাঠীরা।
৬ জানুয়ারি রাতে ধর্’ষ’ণের শিকার ওই ছাত্রীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রাথমিক তদন্ত ও অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে রাতেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় মামলাটি তালিকাভুক্ত করে থানা কর্তৃপক্ষ।
পরে ৮ জানুয়ারি অভিযুক্ত ধর্ষক মজনুকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। মজনুকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সে ধ’র্ষ’ণের কথা স্বীকার করে। এরপর ১৬ জানুয়ারি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে ধর্”ণে’র দায় স্বীকার করে মজনু।
ধর্ষণ, শিক্ষার্থী, ঢাবি, ধর্ষণের দায়ে,
আরও পডুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here